Ankush-Oindrila: পরকীয়ায় জড়িয়েছেন অঙ্কুশ, ধরে ফেললেন ঐন্দ্রিলা‍!

টলিপাড়ার (Tollywood) এক জনপ্রিয় (popular) জুঁটি (popular) হলো অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা (Ankush-Oindrila)। জি বাংলার (Zee Bangla) সাত পাকে বাঁধা (sat pake badha) সিরিয়ালের (serial) দুষ্টু (Dustu) চরিত্রটির (Charector) মধ্যে দিয়ে তার জনপ্রিয়তা (popularity) শুরু। অপরদিকে অঙ্কুশের (Ankush) প্রথম ছবি (movie) ‘কেল্লাফতে’ (kellafote)। ‘কানামাছি’ (kanamachi) সিনেমায় (cinema) তার চিত্র সাংবাদিকের (photo journalist) চরিত্রটি (charector) জয় করেছিলো বহু মানুষের মন। এছাড়াও ইডিয়ট (ideot), জামাই ৪২০ (Jamai 420), খিলাড়ি (Khiladi), আমি যে কে তোমার (Ami je ke tomar), কেলোর কীর্তি (Kelor kirti), হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা (Haripodo Bandwala) প্রভৃতি অসংখ্য ছবিতে তিনি অভিনয় (acting) করেছেন।

কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা (Ankush-Oindrila) অভিনীত ছবি ‘ম্যাজিক’ (Magic)। এখানে ঐন্দ্রিলাকে (oindrila Sen) একটি অফিসের সিনিয়র ডিজাইনার (senior designer) হিসেবে দেখা গেছে, যেখানে অঙ্কুশ (Ankush) তার জুনিয়র (Junior) হিসেবে জয়েন করে। এবং কীভাবে ধীরে ধীরে একে অপরের প্রেমে পড়ে এটাই সিনেমার প্রধান গল্প। অফস্ক্রিন (off screen) এই জুঁটিকে অনস্ক্রিন (on screen) জুঁটি হিসেবে পেয়ে আপ্লুত দর্শকেরা (audiance)।

পর্দায় দশ বছরেরও (10 years) বেশী সময় ধরে তারা চুটিয়ে প্রেম করছেন। প্রেমের বিষয়েই কোনোদিনই কোনও লুকোচুরি নেই তাদের। শুরু থেকেই তাদের পরিবার (family) বা দর্শক (audiance) বা মিডিয়া (media) সকলের কাছেই তাদের প্রেমের ব্যাপারটা স্পষ্ট।‌ কিছুদিন আগেই তার মালদ্বীপ (Maldives) থেকে ঘুরে এসেছেন। সেখানে গিয়ে অবশ্য করোনাক্রান্ত হয়ে গেছিলেন‌ অভিনেত্রী (actress)। তারপর অবশ্য তারা নিরাপদেই‌ (safely) ফিরে এসেছেন। প্রায়শই তাদের খুনসুটির নানা ভিডিও চোখে পড়ে ইন্টারনেটে (internet)। বেশ কয়েক বছর আগে একটি জনপ্রিয় বাংলা চ্যানেল থেকে জিনা তরফদার (Jina Tarafdar) অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার (Ankush-Oindrila) একটি ইন্টারভিউ (interview) নিয়েছিলেন। সেখানে জিনা (Jina Tarafdar) তাদের প্রশ্ন করেন যে, তাদের আদরের ডাকনাম (nickname) কী। অঙ্কুশের (Ankush) উত্তর ছিলো ‘আমি স্যান্টা’। এছাড়াও নাকি একদিন অঙ্কুশের (Ankush) ফোনে কোনো একটি বিশেষ মেসেজ আসে, যেটি ঐন্দ্রিলা (Oindrila) দেখে নেয় এবং পরকীয়ার সন্দেহ করেন। যদিও অঙ্কুশের (Ankush) দাবী, সেটি তার প্রাক্তন প্রেমিকার (Ex girlfriend) মেসেজ কিন্তু ঐন্দ্রিলার দাবী ‘অঙ্কুশের ছুকছুকানি বরাবরই বেশী’।

Leave a Comment